
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাঙামাটির আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সমাজসেবক, সাংবাদিক, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি ও ইসলামিক সেন্টারের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আলম ছিদ্দিকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মনছুরুল হক এবং অভিভাবক প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা ইসমাইল, মো. শরিফুল ইসলাম, মোছা. কাকলা আক্তার, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল মোনাফসহ মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অর্জুন, আম্রপালি, মেহগনি, হরীতকিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু প্রকৃতিকে সবুজ করে না, বরং মানুষের জীবন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আলম ছিদ্দিকী বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে এবং একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সহায়তা করে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে আমাদের মাদ্রাসার পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছ লাগানো ও পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে তোলাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসা প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
মন্তব্য করুন