
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আশাদুল আলম শেখের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালানো, রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা ও গণবিরোধী অবস্থানের অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রক্টর বরারব লিখিত আবেদন জানিয়েছেন চারটি ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আজ (৫ আগস্ট) বিকালে প্রক্টর বরাবর এই লিখিত অভিযোগপত্রটি জমা দেন জাকসু, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইন (সংশোধিত ২০১৩) অনুযায়ী নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’-এর পক্ষে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়া বিগত জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষে ও গণবিরোধী অপশক্তির পক্ষে সক্রিয় অবস্থান নিয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ‘চ্যানেল ১৪’ নামক একটি ভূঁইফোড় পোর্টালে ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত থেকে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সন্ত্রাস বিরোধী আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে যেকোনো ধরনের তৎপরতা চালানো গুরুতর অপরাধ। উক্ত শিক্ষার্থীর কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার পাশাপাশি প্রচলিত ফৌজদারি আইনের প্রত্যক্ষ লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারসহ দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন