
নওগাঁর নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটার মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। সময় মতো শ্রমিক না পাওয়ায় অনেক কৃষকের জমিতে পাকা ধান পড়ে থাকছে। এতে একদিকে যেমন ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা বাড়ছে, এবং ছাতড়া বিলে উজানের পানি ও বাড়ছে, এ দিকে ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার ছাতড়া বিল সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকের চাহিদা বেশি থাকলেও শ্রমিক সংকট হওয়ায় দিনমজুরদের মজুরি দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি খরচে ধান কাটছেন, আবার কেউ কেউ শ্রমিকের অপেক্ষায় জমিতেই ধান ফেলে রেখেছেন। আবার অনেকে ধান আসা ও ছেড়ে দিয়েছেন। বেশ কিছু জমির ধান মাটির সংঙ্গে মিশে গেছে।
স্থানীয়রা জানায়— নাকইল গ্রামের খোরশেদ আলমের ২ বিঘা, সিদাইন গ্রামের জিল্লুর রহমানের ৪ বিঘা, কাড়ালীপাড়ার লোকমান আলীর ৮ বিঘা, চাপড়া গ্রামের মুকবুলের ২০ বিঘা, কালপুর গ্রামের গিয়াসের ২ বিঘা, একই গ্রামের টুটুল ১.৫ বিঘা সহ আশে পাশের আরো অনেকের প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে ধান নষ্টের উপক্রম হয়েছে।
সিদাইন গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান বলেন, “আমার ছাতড়া বিলে চার বিঘা ধান পানিতে ভাসছে। শ্রমিকের মজুরি এতই বেড়েছে যে, ধান কাটতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও আদা-আদী দিয়ে ও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।”
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার উপ-সহকারী কর্মকর্তার তথ্যমতে ৫ হেক্টর জমির ধান কাটতে বাঁকি রয়েছে।
মন্তব্য করুন