
বগুড়ার বাজারেও সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। শহরের একাধিক বিক্রেতার সঙ্গে আলাপকালে এই সংকটের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তেলের এই অস্থিরতার পাশাপাশি বাজারে মুরগি ও ডিমের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও সাধারণ ক্রেতাদের তা কিনতে হচ্ছে চড়া দামে, যা জনমনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।
বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারসহ শহরের বিভিন্ন বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন প্রায় অমিল। হাতেগোনা কিছু দোকানে তেল পাওয়া গেলেও ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে বোতলের গায়ের মূল্যের চেয়েও অতিরিক্ত টাকা। বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো এবং তাদের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ না করায় বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ডিলারদের কাছে গিয়ে বোতলের গায়ে লেখা দামে তেল কিনতে হচ্ছে। পাশাপাশি সাথে অন্য পণ্য কিনতে তারা বাধ্য করছেন, না হলে তেল দিচ্ছেন না। আবার যে চাহিদা দেওয়া হচ্ছে সেই অনুপাতে তেল দিচ্ছেন না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এমন সংকট বলে অভিযোগ করছেন তারা।
বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে প্রতি এক লিটার বোতলজাত তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেল ৯৬০ থেকে ৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব বোতলের গায়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কম লেখা লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও বেশিরভাগ দোকানে মিলছে না দুই ও তিন লিটার বোতলজাত তেল। শহরের বাজারগুলোতে প্রতি লিটার খোলা তেল ১৮০ এবং এক কেজি তেল ২০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়।
এদিকে বগুড়ার বাজারগুলো প্রতি কেজি আলু ১৬ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৮০, পটল ৫০ থেকে ৭০, পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০, ঝিংগা ৫০ থেকে ৬০, করলা ৪০ থেকে ৫০, কাকরোল ১০০, কাঁচামরিচ ৫০, শশা ৮০, কচুরলতি ৮০, ঢেঁড়স ৪০, টমাটো ৫০, সজনা ২০০, আদা ১২০ থেকে ১৫০, রসুন ১০০ থেকে ২০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়। এছাড়াও আটা প্রতি এক কেজির প্যাকেট ৫০ টাকা, ময়দা ৬৫ থেকে ৭০, চিনি ১০০, মসুরের ডাল ১০০ থেকে ১২০, মুগ ১৮০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন