
সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ জোরদার করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে কমপক্ষে তিন মাস পর্যন্ত নমনীয়তা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৩ জুলাই জারি করা এমআরএর এক পরিপত্রে বলা হয়, অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবিক সংকটে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো ও রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করতে হবে।
এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ আদায়ে কমপক্ষে তিন মাস পর্যন্ত নমনীয়তা প্রদর্শন, প্রয়োজন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন বিশেষ ঋণসুবিধা চালু এবং জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় নতুন ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ এবং এ–সংক্রান্ত ব্যয়ের হিসাব ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক মাসের মধ্যে এমআরএতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রে এমআরএ উল্লেখ করেছে, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতেও এসব প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন