
বগুড়া সদর থানার মাদক মামলায় দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পৃথক অভিযানে ধুনট উপজেলার প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার শহরের বাদুরতলা মধ্যপাড়া ও খান্দার পাসপোর্ট অফিস এলাকা থেকে দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। এরআগে, সোমবার রাজধানীর খিলক্ষেত ৩০০ ফিট রোডের পূর্ব নামাপাড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় ধর্ষণ মামলার আসামি। এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার মালগ্রাম চাপড়পাড়া মহল্লার বাবলু প্রামানিকের ছেলে পারভেজ (৩১)। তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। আসামির ১ বছর সশ্রম কারাদন্ড রায় দেয় আদালত। একইসঙ্গে ১ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে আরও ৭ দিনের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি বেদেনা খাতুন এলিজা (৭২) শহরের বাদুরতলা মহল্লার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়। ইতোমধ্যে মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। নারী মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ১ বছর দুই মাস সশ্রম কারাদন্ডসহ ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ডাদেশ রয়েছে। অনাদায়ে আরও ২০ দিনের কারাদন্ডের দায় দেওয়া হয়েছে।
পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানিয়েছে, গত ২২ আগস্ট ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের একটি স্কুল এলাকার পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আপত্তিকর অবস্থায় উদ্ধার হয় বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৪)। জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ধর্ষক। ভুক্তভোগী ইশারার মাধ্যমে ধর্ষণ ঘটনা প্রকাশ করে। পরে ২৫ আগস্ট ধুনট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম মধু (৫৫) উপজেলার উলুরচাপড়া গ্রামের আলতাফ আলীর ছেলে। মামলার পর গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে ঢাকায় আত্মগোপন করে প্রধান আসামি।
মন্তব্য করুন