
পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিযায়ন নিশ্চিত করা এবং পাখি শিকার ও পাচার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহীতে পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পদ্মা গার্ডেনসংলগ্ন রাজশাহী আধুনিক পাঠাগারে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরাম এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যৌথ উদ্যোগে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান, বাপা রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোছা. সেলিনা বেগম, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমান, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. বি কে দাম, দুঃস্থ মানবকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা সরকার এবং বাপা পবা উপজেলা শাখার সভাপতি মোছা. রহিমা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী চৌধুরী।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও খাদ্যশৃঙ্খল সচল রাখতে পাখির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইঁদুর ও ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ খেয়ে পাখি কৃষি উৎপাদনে সহায়তা করে। পাশাপাশি পরিবেশের পরিবর্তন শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও পাখি গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। ফুলের পরাগায়নেও কিছু পাখির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রকৃতির সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরিযায়ী পাখি। এসব পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা এবং তাদের বিচরণক্ষেত্র রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে পাখি শিকার ও পাচার বন্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তাঁরা।
আলোচনা সভা শেষে পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন