
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক অপরূপ উপহার। পাহাড়ের সবুজ ছায়া, লবণের মাঠ, মিষ্টি পান, মাছ ধরার ব্যস্ততা আর সমুদ্রের গর্জন— সব মিলিয়ে মহেশখালী এখন পর্যটন ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
স্থানীয়দের প্রধান জীবিকা পান চাষ, লবণ উৎপাদন, মাছ ধরা ও শুঁটকি শিল্পকে ঘিরে। বিশেষ করে মহেশখালীর বিখ্যাত মিষ্টি পান দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সম্প্রতি ‘আগুন পান’ দেখতে পর্যটকদেরও ভিড় বাড়ছে জেটিঘাট এলাকায়।
দ্বীপটির অন্যতম দর্শনীয় স্থান আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, ম্যানগ্রোভ বন ও বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ প্রতিদিন আকর্ষণ করছে হাজারো ভ্রমণপিপাসুকে। স্থানীয়দের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন হলে মহেশখালী দেশের অন্যতম বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
তবে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। পাহাড় কাটা, বন উজাড় ও উপকূল দূষণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন