
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও প্যারাবন দখল ও নিধনের অভিযোগ এখনো থামছে না। একসময় ঘন সবুজে আচ্ছাদিত উপকূলীয় প্যারাবনের অনেক অংশ এখন উজাড় হয়ে পড়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন স্থানে প্যারাবন কেটে লবণ মাঠ, চিংড়িঘের ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের কারণে বনাঞ্চলের পরিধি কমে যাচ্ছে। প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হলেও কিছু এলাকায় পুনরায় দখল ও বন উজাড়ের অভিযোগ উঠেছে।
পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা বলছেন, প্যারাবন শুধু একটি বন নয়, এটি উপকূলকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলোচ্ছ্বাস ও ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ঢাল। বন ধ্বংসের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্যারাবন রক্ষায় আরও কঠোর নজরদারি, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নতুন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে মহেশখালীর উপকূলীয় পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
মন্তব্য করুন