
সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা হাটখোলা এলাকা থেকে ওয়াহেদা সুলতানা শিমু (৩৮) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাঁর নিজ ঘর থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিমু ওই এলাকার মৃত মিয়ারাজ আলীর কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার পর শিমুকে শেষবারের মতো বাড়ির সামনে একটি চায়ের দোকানে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শিমু পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। ২০০৭ সালে শহরের সুলতানপুর এলাকার সাংবাদিক আহসানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের মাত্র তিন মাস পর তাঁর স্বামী আত্মহত্যা করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে শিমু তাঁর বড় বোন রাবেয়া সুলতানার সঙ্গেই বসবাস করে আসছিলেন। পারিবারিকভাবে পাওয়া একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিয়ে এবং পরবর্তীতে সেটি বিক্রি করে তিনি তাঁর সংসার চালাতেন।
নিহতের বড় বোন রাবেয়া সুলতানা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিমুকে ঘরে ডাকতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা দুর্গন্ধ পান। ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসায় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত দুই থেকে তিন দিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে শুক্রবার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার নম্বর ৬৪। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের জন্য লাশের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং শুক্রবারই মরদেহটি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন