
চলমান প্রচন্ড তাপদাহে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে কদর বেড়েছে তালের শাঁসের। ক্যালসিয়াম ও নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে তালের শাঁসে। পাশাপাশি মৌসুমি ফল হিসেবেও তালের শাঁসের বেশ কদর রয়েছে। বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাসে মৌসুমি ফল হিসেবে সব বয়সি মানুষের মুখরোচক খাবার এটি। উপজেলার হাটবাজার ও বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ভ্যানগাড়িতে তালের শাঁস বিক্রি করছে মৌসুমি ফল বিক্রেতারা। প্রচন্ড গরম ও তাপদাহের কারণে এবার এ ফলের চাহিদা ব্যাপক। এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
তালের শাঁস বিক্রেতা আবু কালাম বলেন, তাল যখন কঁচি থাকে, তখন বাজারে এটা তালের শাঁস হিসেবে বিক্রি হয়। প্রতিটি তালের শাঁস আকার ভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটি কঁচি তালের ভেতর দুই থেকে তিনটি পানি ভর্তি শাঁস থাকে। বাজারে অন্য সব ফলে ফরমালিন থাকলেও তালের শাঁসে কোন ভেজাল নেই এবং এটি খেলে শরীর শীতল হয়। তাপদাহের কারণে তালের শাঁসের কদর গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশী। তালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা গ্রামগঞ্জ থেকে তাল সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। পুষ্টিবিদদের মতে তালের শাঁসের অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার।
মন্তব্য করুন