
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে আবদুল করিম (৪০) নামে এক বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণে তাঁর বাম পা হাঁটুর নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সদর ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের আগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত আবদুল করিম নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জারুলিয়াছড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মকবুল হোসেনের ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে আবদুল করিমের একটি গরু জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ৪৭ ও ৪৮ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের ভেতরে চলে যায়। গরুটি ফিরিয়ে আনতে তিনি শূন্যরেখা অতিক্রম করে দেশটির প্রায় ৫০০ মিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
এ সময় হঠাৎ একটি স্থলমাইন বিস্ফোরিত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণে তাঁর বাম পা হাঁটুর নিচ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, স্থানীয়দের তথ্যমতে গরু আনতে গিয়ে আবদুল করিম মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত ২৪ জুন নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে শফিউল আলম নামে এক বাংলাদেশি নিহত হন। এক মাসের ব্যবধানে একই সীমান্ত এলাকায় এটি দ্বিতীয় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা। সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।
মন্তব্য করুন