
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের আল্লারদর্গা জয়ভোগা গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ও পুরনো শত্রুতার জেরে দুই সহোদরের ওপর গুপ্ত হামলার মত নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে জয়ভোগা চাররাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
গুপ্ত হামলার শিকার হন গ্রাম্য চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম ও তার ভাই ওষুধ ব্যবসায়ী আবু। তারা স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ফজলুল হকের সন্তান বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল সশস্ত্র যুবক তাদের গতিরোধ করে। এরপর ধারালো অস্ত্র, হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। আকস্মিক এই হামলায় দুই ভাই গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত হিসেবে জয়ভোগা গ্রামের মাহাথির (২৪), মাহি (২০), রকিব (২২), রকি (২০), রাজিব (২০) এবং পাশের আমদহ বোর্ডপাড়া গ্রামের সুমন (২৫) এর নাম উঠে এসেছে।
ঘটনার পর আহত আবু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন