
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালার সংস্কার শেষে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে অনার বোর্ড। এতে ডাকসুর বিভিন্ন সময়ের সহ-সভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদকদের (জিএস) নাম সংযুক্ত করা হলেও ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির নাম রাখা হয়নি।
রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু সংগ্রহশালার সংস্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্কার করা সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে সংগ্রহশালায় স্থাপন করা হয়েছে নতুন অনার বোর্ড। সেখানে ১৯২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে শুরু করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের ডাকসুর ভিপি ও জিএসদের নাম স্থান পেয়েছে। তবে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের জিএস হিসেবে গোলাম রাব্বানী এবং পরবর্তী সময়ে জিএস হিসেবে ঘোষিত মো. রাশেদ খাঁনের নাম বোর্ডে দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে বিজয়ী হয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী। পরবর্তীতে তার ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তের পর ডাকসুর পদও বাতিল করা হয়। গত ৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
একই সভায় ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে নতুন অনার বোর্ডে তার নামও রাখা হয়নি।
এ বিষয়ে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ডাকসুর পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তিগত আপত্তি নেই। তবে যেসব বিষয় নিয়ে বিতর্ক বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সেগুলো আপাতত অনার বোর্ডে রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হলে সংশ্লিষ্ট নাম অনার বোর্ডে যুক্ত করা হবে।
ডাকসু সূত্রে জানা গেছে, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ডাকসুর বিভিন্ন সময়ের কর্মকাণ্ডের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংগ্রহশালাটি সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কারকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।
মন্তব্য করুন