
প্রস্তাবিত ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা প্রণয়নে রিকশা ও ভ্যানচালকদের মতামত, প্রত্যাশা এবং বিভিন্ন দাবি তুলে ধরতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় শ্রমিক শক্তির একটি বিশেষায়িত ইউনিট জাতীয় রিকশা-ভ্যানচালক শক্তি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। (৩১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা রিকশা ও ভ্যানচালকদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানসহ তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
তাদের ১০ দফা দাবি হলো—
১। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতন আন্দোলনে শহীদ ও আহত রিকশাচালকদের তালিকা প্রকাশ এবং তাদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার আওতায় আনা।
২। রিকশাচালকদের শ্রমিক হিসেবে ঘোষণা করা।
৩। রিকশাচালকদের স্বাস্থ্যসেবা, সন্তানদের লেখাপড়া ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।
৪। এ সেক্টরে অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং কর্মের সময়সীমা নির্ধারণ করা।
৫। বয়স্ক চালকদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা।
৬। প্রত্যেক রাস্তার মোড়ে রিকশাচালকদের জন্য পার্কিং ও বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা করা।
৭। ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে শারীরিক নির্যাতন এবং শপিংমল ও বাজারের দারোয়ানদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা।
৮। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অটোরিকশা পূর্বনির্ধারিত এলাকায় চলাচলের ব্যবস্থা করা এবং মহল্লাভিত্তিক অটোরিকশা চলাচল চালু হলে তা রিকশাচালকদের জন্য নির্ধারণ করা।
৯। সড়কের বামপাশ যথাযথভাবে মেরামত করা।
১০। দেশ সংস্কারের কাজে রিকশাচালকদের সঙ্গে আলোচনা ও তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান এবং সবাইকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রিকশা-ভ্যানচালক শক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব মো. ওবায়দুল ইসলামসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে চালকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রিকশা ও ভ্যানচালকদের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
মন্তব্য করুন