
সান্তাহার পৌর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে। এ আলোচনায় সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে বারবার উঠে আসছে বিএনপির নেতা মো. আশফাকুল ইসলাম (পাভেল)-এর নাম। দলের একাংশের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি নেতৃত্বের যোগ্য দাবিদার।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, আশফাকুল ইসলাম পাভেল ২০০০ সালে সান্তাহার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে তিনি সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
সমর্থকদের দাবি, ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার ও পুলিশি হয়রানির মুখেও দলীয় কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৭ ও ২০১৮ সালেও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখেন। এছাড়া ২০২৩-২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় কারাগারে থাকলেও বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মামলায় আটক নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করেন।
দলীয় সূত্র আরও জানায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় কার্যক্রম থেকে সরে যাননি বলে সমর্থকদের দাবি।
সান্তাহার পৌর যুবদলের তৃণমূলের একাংশের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মূল্যায়ন করে আশফাকুল ইসলাম পাভেলের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল হবে।
এ বিষয়ে দলের দায়িত্বশীল নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন