
উত্তর কোরিয়া পূর্বদিকে অন্তত একটি ‘অজানা ক্ষেপনাস্ত্র’ নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
শনিবার সিউলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন জাপান সাগর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল তার ঠিক পরেই।
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স বা থাড নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এরপর গত মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলে থাকা থাড সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
এই ‘অজানা ক্ষেপনাস্ত্র’ ছোঁড়ার ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগে পিয়ংইয়ং দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বশেষ শান্তি উদ্যোগকে ‘আনাড়ি ও প্রতারণামূলক প্রহসন’ বলে নাকচ করে দেয়।
এই ঘোষণা আসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সেওক বলার কয়েক ঘণ্টা পরে। তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক ‘ভালো’ হবে।
ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাকে বলেছেন, ‘কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক হলে ভালো হতো। এবার চীন সফরের সময় হতে পারে, আবার নাও হতে পারে।’
ট্রাম্প গত অক্টোবরে এশিয়া সফরে বলেছিলেন কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ‘১০০ ভাগ’ আগ্রহী। কিন্তু উত্তর কোরিয়া সেই মন্তব্যের কোনো জবাব দেয়নি।
কয়েক মাস এই প্রস্তাব উপেক্ষা করার পর সম্প্রতি কিম জং উন বলেছেন, ওয়াশিংটন পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক মর্যাদা মেনে নিলে দুই দেশ ‘মিলেমিশে চলতে’ পারবে।
দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দিতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু শীর্ষ বৈঠক থেকে শুরু করে নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপ কোনোটাই তেমন কোন কাজে আসেনি।
মন্তব্য করুন