
শীগ্রই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার এবং এটি ঠাকুরগাঁওবাসীকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ওয়াদা বলে জানালেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম রিতা।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য করণীয় নির্ধারণের নিমিত্তে সরেজমিন পরিদর্শন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রণায়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরের রানওয়েসহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। পরে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের ঠাকুরগাঁওবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে উঠতে পারেন। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত অপপ্রচার চালাচ্ছে, মিথ্যা ছড়াচ্ছে, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে- আমরা নাকি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাইনা! অথচ আমরাই জুলাই সনদ তৈরি করেছি, সংস্কার আমাদের, আমরাই সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। মিথ্যাচারের জন্য জনগণ জামায়াতকে ক্ষমা করবে না।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম রিতা বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমরা ফুল টিম নিয়ে এসেছি। আমরা বিমানবন্দরের রানওয়েসহ বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখলাম। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করবো। যেহেতু এটি চালু করা প্রধানমন্ত্রীর ওয়াদা ছিলো, তাই এটি ২ বছরের মধ্যে চালুর চেষ্টা করবো। আপনাদের এখানে ইয়ারপোর্টটি চালু হলে সমগ্র ঠাকুরগাঁওবাসীর অনেক উপকার হবে। তাই আমরা যত দ্রুত সম্ভব এটি চালুর ব্যাপারে কার্যক্রম চালিয়ে যাবো। তবে আপনাদেরও একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতি মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু ওয়াদা করেছেন, বিমানবন্দর চালুর ব্যাপারে সেহেতু এটি চালু না করে কি পারা যায়। না চাইলে যে কোন জিনিস পাওয়া যায় না। আর সরকারের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে বিমানবন্দরটি চালু হবে কিনা, আর হলে কাজ কতদিনে শেষ হবে। তবে আপনারা কি চান? আমরা চাই ২ বছরের মধ্যে এই বিমানবন্দরে বিমানে উঠে আপনারা ঢাকা যেতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। আমরা যাবতীয় কাজগুলো যাচাই বাছাই করছি। পরিকল্পনা হয়ে গেছে, এখন কাজ শরু হবে। আর কাজ শুরু হলে ২ বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করছি।
অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য দেন- ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা: মো: আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো: জাহিদুর রহমান জাহিদ, জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক মো: পয়গাম আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: শরিফুল ইসলাম শরিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল হান্নান হান্নু, দপ্তর সম্পাদক মো: মামুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মাহেবুল্লাহ আবু নূর, এম, এম মজিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: আব্দুল হামিদ প্রমুখ। এসময় ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো: বেলাল হোসেনসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা, কর্মী ও সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন