
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে অবৈধ পারাপার, পুশ-ইন, চোরাচালান, মাদক ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক মাইকিং করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (২৬ আগস্ট) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এ মাইকিং করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে পারাপার, পুশ-ইন, মাদক, অস্ত্র, মানবপাচার ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করতে এ মাইকিং করা হয়।
মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয়দের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করার পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধ সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা না করার আহ্বান জানানো হয়। সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলের চলাচল, পরিচয় গোপন করে অবস্থান, সীমান্তের ওপার থেকে কাউকে পুশ-ইনের চেষ্টা অথবা কোনো ভারতীয় নাগরিকের অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের ঘটনা নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি টহল দল বা ক্যাম্পে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।
এছাড়া অপ্রয়োজনে সীমান্ত এলাকায় ঘোরাফেরা না করা, অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তিকে বাড়িতে আশ্রয় না দেওয়া এবং মাদক, অস্ত্র, মানবপাচার ও চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয়দের সচেতন করা হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত বিজিবি ক্যাম্প বা টহল দলকে অবহিত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও পুশ-ইন প্রতিরোধ এবং মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ সীমান্ত পারাপার অথবা এ কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন