
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাটি খননের সময় একটি শক্তিশালী পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অসচেতন আচরণে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে, কারণ উদ্ধার হওয়ার পরপরই এটি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে একটি বাড়িতে নিয়ে রাখা হয়েছিল।
জানা যায়, উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের দৈয়ারা গ্রামের মানিক মিস্ত্রির বাড়ির পাশে গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে শ্রমিকরা মাটি খননের কাজ করছিলেন। এ সময় তারা মাটির নিচে লোহার মতো শক্ত একটি বস্তুর সন্ধান পান। প্রথমে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব না দিলেও পরে বস্তুটি পরিষ্কার করলে একটি মর্টার শেলের আকৃতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কৌতূহলবশত শ্রমিকরা বিপজ্জনক এই বস্তুটি পুলিশ বা প্রশাসনকে না জানিয়ে স্থানীয় আজহার আলীর বাড়িতে নিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জয়াগ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আজহার আলীর বাড়ি থেকে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত মর্টার শেলটি বহু পুরোনো এবং এটি সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর সময়কার হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, “খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে নিরাপদে থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন