
লালমনিরহাটে স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, গণধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোর্ডঘর দক্ষিণটারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত স্বপ্না বেগম ওই এলাকার স্থানীয় মৃত নজমুল হকের মেয়ে এবং আবুল কালামের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের দরজা ভে’ঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের ভেতরে তার ম’রদে’হ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।
নিহত স্বপ্না বেগমের স্বজন শাহিনা খাতুন বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠার পর নিহত স্বপ্না বেগমের ঘর থেকে কোন সাড়া শব্দ নাই। পরে তার ঘরে প্রবেশ করে দেখি বিবস্ত্র অবস্থায় স্বপ্না বেগম পড়ে আছেন। তার শোবার খাট টি ও ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। পরে আমি চিৎকার করলে আমার দেবর ও আশপাশের কয়েকজন লোক ছুটে আসে। এ সময় আমরা দেখতে পাই তার নাক দিয়ে রক্ত বাহির হচ্ছে। এ অবস্থা দেখে আমরা পুলিশে খবর দেই।
নিহতের স্বজনরা দাবি করেন, মরদেহের অবস্থা দেখে তাদের ধারণা, দু’র্বৃত্তরা তাকে গ’ণধ’র্ষ’ণের পর শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা করেছে।
খবর পেয়ে আদিতমারী থানা পুলিশ ঘ’টনাস্থলে পৌঁছে সু’রতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’র্গে পাঠায়।
আদিতমারী থানার ওসি নাজমুল হক জানান, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান।
তিনি আরও জানান, স্বপ্না বেগম স্বামী পরিত্যাক্তা। তিনি বাবার বাসায় থাকতেন। মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। মৃত্যু অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়’নাতদ’ন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃ’ত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এখনো কোন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হয় নি।
এদিকে, এ ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও আত’ঙ্ক বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন