
কালীগঞ্জের শিশু ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। এজাহারে অভিযুক্ত ব্যাক্তি মোঃ বরাত ইসলাম (১৮) লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জের উত্তর মুশরদ মদাতী গ্রামের মোঃ হাফিজুল ইসলামের ছেলে।
র্যাব জানায়, অভিযুক্ত মোঃ বরাত ইসলাম বাদীর পাড়া-প্রতিবেশী। নির্যাতিত শিশুটি প্রায়ই সময় খেলাধুলার জন্য নিকটতম প্রতিবেশী মোছা: শাহিদা বেগমের বাসায় যেত। গত ২৭/০৫/২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে শিশুটি খেলতে গেলে এক সময় সুযোগ বুঝে বরাত ইসলাম শিশুটির মুখ চেপে ধরে প্রতিবেশী শাহিদা বেগমের উত্তর দুয়ারী আধাপাকা টিনশেডের ঘরে নিয়ে যায় এবং শিশুটিকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে শিশুটিকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে। আসামি বরাত ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
নির্যাতিত শিশিুটিকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
উক্ত ঘটনায় শিশুটির পিতা বাদী হয়ে আসামির বিরুদ্ধে গত ০২/০৬/২০২৬ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০২০) এর ৯(১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১।
ঘটনার পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে অভিযুক্ত বরাত ইসলাম চতুরতার সাথে আত্মগোপনে ছিলো।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিএসসি, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল ইং ০৫/০৬/২০২৬ তারিখ রাত ১২.৩০ ঘটিকার সময় লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানাধীন নওদাবাস কেতকিবাড়ি সাকিনস্থ জনৈক মোঃ সাকিবুল ইসলাম (৫০) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণ মামলার প্রধান এজাহার নামীয় অভিযুক্ত মোঃ বরাত ইসলামকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, এবং পরবর্তী আইনানুগ গ্রহনের জন্য ধৃত বরাত কে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন