
দীর্ঘ ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন উদ্যমে সাগরে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কক্সবাজার উপকূলের হাজারো জেলে। নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হওয়ায় জেলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলে ও ট্রলার মালিকরা।
কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া এবং টেকনাফ এলাকার মৎস্যঘাটগুলোতে দেখা গেছে জাল মেরামত, ট্রলার সংস্কার ও সমুদ্রে যাত্রার প্রস্তুতি। অনেক জেলে জানান, গত দুই মাস মাছ ধরতে না পারায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। এখন তারা সমুদ্রে গিয়ে ভালো মাছ পাওয়ার আশায় রয়েছেন।

জেলেরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে ঋণ ও ধার করে সংসার চালাতে হয়েছে। তাই এবার মাছের মৌসুম ভালো গেলে সেই ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তারা আবহাওয়া অনুকূলে থাকার প্রত্যাশাও করছেন।
মৎস্য সংশ্লিষ্টদের মতে, মাছের প্রজনন ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য প্রতিবছর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এর ফলে সমুদ্রে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘমেয়াদে জেলেরা লাভবান হন।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় কক্সবাজারের বিভিন্ন ঘাটে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জেলেদের চোখে-মুখে এখন নতুন স্বপ্ন—সাগর থেকে ফিরে আসবে ভরা জাল, আর ঘরে ফিরবে স্বস্তি।
মন্তব্য করুন