
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মুখে এক নারী এনজিও কর্মীকে জিম্মি করে প্রায় দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলায় আহত হয়েছেন ওই কর্মী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার মিতা দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ ব্র্যাক অফিসের মাঠকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মিরপুর উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ফরহাদ আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সুমাইয়া আক্তার মিতা বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের কিস্তির টাকা সংগ্রহ করে অফিসে ফিরছিলেন। পথে কলেজপাড়া এলাকায় পৌঁছালে মুখোশধারী দুই দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পথরোধ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা প্রায় দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সুমাইয়া আক্তার মিতা বলেন, “গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে ফেরার পথে দুইজন অস্ত্রধারী আমাকে জিম্মি করে মারধর করে। পরে তারা আমার কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। তাদের মুখ ঢাকা থাকায় কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি।”
হোসেনাবাদ ব্র্যাক অফিসের সহকারী ব্যবস্থাপক ফারুক হোসেন বলেন, “আমাদের মাঠকর্মী কালেকশনের টাকা নিয়ে অফিসে ফেরার সময় সন্ত্রাসীদের কবলে পড়েন। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েছি এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন