
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়া গ্রামসহ পদ্মা নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দুটি ওয়ার্ড, কয়েকটি মসজিদ ও অসংখ্য বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য। এ সময় তাঁর সঙ্গে দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি, থানা যুবদলের আহ্বায়ক, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। তারা বলেন, প্রতিদিনই পদ্মা নতুন নতুন এলাকা গ্রাস করছে। এতে আবাদি জমির পাশাপাশি বসতভিটাও হুমকির মুখে পড়েছে।
সংসদ সদস্য সাংবাদিকদের জানান, অতীতে নদীভাঙন প্রতিরোধে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা যথেষ্ট নয়। ভাঙনের ব্যাপকতা বিবেচনায় বৃহৎ পরিসরের প্রকল্প গ্রহণ জরুরি।
তিনি বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। দ্রুত কারিগরি দল পাঠিয়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তাদের আবাদি জমি, বসতবাড়ি ও জীবিকার শেষ সম্বলও পদ্মার গর্ভে হারিয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন