
বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’-এর আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলা এ উৎসবে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য প্রয়োজন। সংস্কৃতির ইতিবাচক চর্চার মাধ্যমে সমাজ থেকে নেতিবাচক প্রবণতা দূর করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশকে স্থায়ীভাবে এগিয়ে নিতে হলে সব গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি। সঞ্চালনা করেন ড. মনোয়ারুল ইসলাম, শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, মাহবুব মুকুল ও আহসান হাবীব খান।
উৎসবে তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি, গম্ভীরা এবং নাট্য পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘রক্তাক্ত জুলাই’ শীর্ষক নাটক, যেখানে জুলাই আন্দোলনের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি এবং অন্যান্য পরিবেশনার মাধ্যমে উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
মন্তব্য করুন