
গণমাধ্যমের অগাধ প্রবেশের সুযোগ না থাকায় পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে ব্যাপক ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বগুড়ার শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বিগত দিনে পাবলিক চূড়ান্ত ব্যবহারিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত থাকায় তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমুর কাছে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরের সার্বিক অবস্থা জানতে ও সরেজমিনে প্রতিবেদন তৈরির জন্য অনুরোধ করে প্রবেশাধিকার পেলেও, অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত লালসার শিকার গণমাধ্যমকর্মীরা তাকে অঘোষিতভাবে বর্জনের নীতি নিয়েছে।
বিশেষ করে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করার পর একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকেই উঠেছে। তার সহকর্মী, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে শুরু করে শিক্ষক পর্যন্ত – কেউই খুশি নন।
শিক্ষকরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে জানান, প্রিন্সিপাল অত্যন্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক কথা বলার কারণে তাকে এভয়েড করে চলার চেষ্টা করেন সহকর্মীদের অনেকেই।
এছাড়াও উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শ্রেণি এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র থাকার সুযোগে অধ্যক্ষ কর্তৃক অনৈতিক পন্থা অবলম্বনের অভিযোগ থাকায় বিব্রত তার সহকর্মীরা।
বিশেষ করে স্থানীয় শিক্ষক-কর্মচারীদের সাধারণ মানুষের বিকৃত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় চূড়ান্ত ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রিন্সিপালের অস্বচ্ছতার ঘটনা নিয়ে।
শিক্ষক-কর্মচারীরা অধীর আগ্রহে বসে আছেন তার বদলির জন্য। এদিকে, অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ইতিপূর্বে তদবিরের মাধ্যমে শেরপুর কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনা চাউর আছে সর্বস্তরে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষের সঙ্গে মুঠোফোন নম্বর (০১৩১৫-৫৪১৭৮৯)-এ যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন না ধরায় তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন