
ভূমি অফিসগুলোর তহসিলদার-নায়েবদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করায় প্রকাশ্যে আসছে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রমের ফিরিস্তি।
সরকারিভাবে খাস, অর্পিত ও সেল অব এগ্রিমেন্টের জমির ব্যক্তি পর্যায়ে নামজারি করা যাবে না – বগুড়া জেলা প্রশাসকের এমন নির্দেশ থাকলেও বসে নেই শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসের তহসিলদার বা নায়েবরা। তারা অবৈধ সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে এক নম্বর খাস খতিয়ান, সেল অব এগ্রিমেন্ট ও অর্পিত সম্পত্তির ব্যক্তি পর্যায়ে নামজারিতে এগিয়ে আছেন শেরপুর পৌর শহরের তহসিলদার আব্দুস সালাম।
চাকরি জীবনের পুরোটা সময় বিভিন্ন অজুহাতে শেরপুর উপজেলার ১ নম্বর কুসুম্বী ও পৌর ভূমি অফিসের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অতি সম্প্রতি জেলার ধুনট উপজেলা থেকে শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ও ভবানীপুর ভূমি অফিসের তহসিলদার হিসেবে যোগদানের উচ্চবিলাসী স্বপ্ন নিয়ে শেরপুরে আসলেও স্থানীয় প্রশাসনের জটিলতায় ভেস্তে যায় তার সেই স্বপ্ন।
স্বপ্ন ভেস্তে গেলেও বসে নেই বিতর্কিত অনিয়ম-দুর্নীতির বরপুত্রখ্যাত আব্দুস সালাম। বিভিন্ন ফেসবুক, অনলাইন, দৈনিক, সাপ্তাহিক প্রচারমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগ তার দিকেই।
সম্প্রতি শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ও ভবানীপুরের তহসিলদার সুনামধন্য ও প্রবীণ মো. সাইফুল ইসলাম ও মির্জাপুর ইউনিয়নের নায়েব তহসিলদার স্বপ্না আক্তারের নামে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ফেসবুক ও অনলাইনের কোনো একটি মাধ্যমে কর্মরত ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে ফেসবুকে পোস্ট প্রকাশ করা হয় বলে ক্ষুব্ধ সচেতন মানুষ।
মন্তব্য করুন