বগুড়ার ধুনটে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। সম্পর্কে ‘নানা’ সম্বোধন করা ওই বৃদ্ধের লালসার শিকার হয়ে এখন হাসপাতালে দিন কাটছে শিশুটির। গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি গ্রামে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আব্দুল কাদের তার মেয়ের জামাইয়ের শূন্য বাড়ি দেখাশোনা করার সুবাদে সেখানে যাতায়াত করতেন। ঘটনার দিন তিনি প্রতিবেশীর ওই শিশুটিকে ঘর পরিষ্কারের প্রলোভন দেখিয়ে এবং নাতনি সম্বোধন করে নির্জন বাড়িতে ডেকে নেন। সরল বিশ্বাসে শিশুটি ঘরে প্রবেশ করলে অভিযুক্ত তাকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে সব খুলে বলে।
এই ঘটনায় শনিবার রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামি আব্দুল কাদের (৬৫) যুগিগাঁতি গ্রামের মৃত অবিয়া ফকিরের ছেলে। মামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত বৃদ্ধ পলাতক থাকলেও তাকে আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
এ ঘটনায় শ্যামবাড়ি ও যুগিগাঁতি গ্রামে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে লম্পট আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন