
বগুড়া মহানগর ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে সামস্ ইসলাম সাগরকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় ত্যাগ, মানবিকতা ও রাজপথের অকুতোভয় সংগ্রামী ভূমিকার কারণে জেলার ছাত্ররাজনীতিতে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি। কর্মীবান্ধব আচরণের কারণে তাকে মহানগর ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান সাধারণ নেতাকর্মীরা।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সাগরকে নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে তৃণমূলে ব্যাপক আলোচনা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার ছাত্রদল রাজনীতিতে সামস্ ইসলাম সাগর একটি সুপরিচিত নাম। দলের চরম দুঃসময়ে যখন অনেকে ছিলেন আড়ালে, তখন সাগর ছিলেন রাজপথের সামনের সারিতে। হামলা, মামলা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি সংগঠনের কর্মসূচিতে সক্রিয় থেকেছেন এবং নেতাকর্মীদের সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন নিরলসভাবে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, মহানগর ছাত্রদলকে গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সাগরের মতো মাঠকেন্দ্রিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। কারণ তিনি শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় নন, বরং কর্মীদের সুখ-দুঃখেও সবসময় পাশে থাকেন। সাধারণ কর্মীদের বিশ্বাস, আগামী মহানগর ছাত্রদলের কমিটিতে তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে।
সাগরের রাজনৈতিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, স্কুলজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ধাপে ধাপে সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা দৃশ্যমান বলেও জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
একাধিক ছাত্রদল কর্মী বলেন, “সাগর ভাই আমাদের আবেগের জায়গা। তিনি রাজপথের নেতা। হামলা-মামলা তাকে দমাতে পারেনি। আমরা চাই মহানগর ছাত্রদলের নেতৃত্বে এমন একজন আসুক, যিনি বিপদে কর্মীদের পাশে থাকবেন এবং সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন।”
যার ধারাবাহিকতায়, আসন্ন বগুড়া মহানগর ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা। তবে তৃণমূলের প্রত্যাশা ও আলোচনায় এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম সামস্ ইসলাম সাগর। নেতাকর্মীদের বিশ্বাস, রাজপথের পরীক্ষিত এই নেতৃত্বকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হলে বগুড়া মহানগর ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তাদের ভাষায়, “ত্যাগ, সাহস, মানবিকতা আর কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা – এই তিন গুণেই সাগর আজ তৃণমূলের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।”
মন্তব্য করুন