
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ রফিক-জব্বার হল মসজিদে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞানচর্চা, নৈতিক বিকাশ ও মানসিক প্রশান্তির সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ধর্মীয় পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারটির উদ্বোধন করেন শহীদ রফিক-জব্বার হলের প্রাধ্যক্ষ ও হল সংসদের সভাপতি ড. আবদুছ ছাত্তার।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু), শহীদ রফিক-জব্বার হল সংসদ ও হল প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আবদুর রশিদ জিতু, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. সাফায়েত মীর, সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম বাপ্পী, মীর মশাররফ হোসেন হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) শাহরিয়া নাজিম রিয়াদ, শহীদ রফিক-জব্বার হল সংসদের নেতৃবৃন্দ ও হলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনকালে ড. আবদুছ ছাত্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই মসজিদে এ ধর্মীয় পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিজীবন ও সামাজিক জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, পাঠাগারে ধর্মীয় ও নৈতিকতাবিষয়ক বিভিন্ন বই রাখা হয়েছে। এসব বই শিক্ষার্থীদের অবসর সময়ে জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে হল সংসদ, জাকসু ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
হল সংসদ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়াতে পাঠাগারে বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় গ্রন্থ সংযুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পাঠাগারে বসে বই পড়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বই পড়ার সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী পাঠাগারে আরও বই সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শহীদ রফিক-জব্বার হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, “এই গ্রন্থাগারে সংযুক্ত বইগুলো আমাদের ইহকাল ও পরকালের জীবনের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীরা একাডেমিক পড়ালেখার পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ধর্মীয় বিষয়ে আরও সচেতন হয়ে উঠবে।”
তিনি আরও বলেন, “পাঠাগারের বইগুলো শুধু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রেই নয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলাতেও সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইহকালীন জীবনকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সহজভাবে পরিচালনার দিকনির্দেশনা পাবে বলে আমরা আশা করি।”
মন্তব্য করুন