
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও ব্যবসায়ী গ্যারিসন লুটেল অভিযোগ করেছেন, তার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্ত্রী ফারহানা করিম অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাংলাদেশে এসে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে ফারহানা কানাডার এক নাগরিকের সঙ্গে বসবাস করছেন এবং তাকে বিয়ে করেছেন বলেও জানিয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গ্যারিসন লুটেল ও ফারহানা করিম ২০১৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন এবং সেখানে তাদের নিজস্ব একটি বাড়ি ছিল। তাদের সংসারে পাঁচ বছর আগে প্রথম সন্তানের জন্ম হয়।
গ্যারিসনের দাবি, ২০২৪ সালের শুরুতে ফারহানা দ্বিতীয়বারের মতো অন্তঃসত্ত্বা হন। ওই বছরের জুন মাসে তিনি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ‘মা ও বোনের সঙ্গে থাকার প্রয়োজন’ উল্লেখ করে বাংলাদেশে চলে আসেন। ঢাকার উত্তরায় তাদের একটি বাসাও রয়েছে।
বাংলাদেশে আসার পরপরই ফারহানা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন গ্যারিসন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তিনি নিয়মিত অর্থ পাঠিয়ে গেলেও দীর্ঘদিন যোগাযোগ না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে বাংলাদেশে আসেন।
বাংলাদেশে এসে বহু চেষ্টা করেও স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে না পেরে তিনি উত্তরা থানার পুলিশের সহযোগিতা নেন। পরে যে হোটেলে তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখানকার সহায়তায় ফারহানার উত্তরার বাসায় যান।
সেখানে গিয়ে গ্যারিসন জানতে পারেন, ফারহানা করিম বর্তমানে কানাডার এক নাগরিকের সঙ্গে বসবাস করছেন। তার দাবি, ফারহানা নিজেই জানিয়েছেন যে তিনি ওই কানাডিয়ান ব্যক্তিকে বিয়ে করেছেন।
এ ঘটনায় গ্যারিসন লুটেল আইনগত প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বিঃদ্রঃ এ প্রতিবেদনটি গ্যারিসন লুটেলের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রস্তুত। ফারহানা করিমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন