
রাজধানীর কদমতলী থানার শনিআখরা জোড়া খাম্বা এলাকায় একটি মাদ্রাসার বাথরুমে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ১২ বছর বয়সী এক হেফজ বিভাগের ছাত্রকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুমে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাঈম ইসলাম (১২) বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা বাবু শেখের ছেলে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মুরাদপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ জানায়, মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুমে কাপড় রাখার স্ট্যান্ডের সঙ্গে নিজের পাঞ্জাবি পেঁচিয়ে নাঈম গলায় ফাঁস দেয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাকে দেখতে পেয়ে কদমতলী থানা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
কদমতলী থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
মন্তব্য করুন