
বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি মো. রিপন কাজী (৩৫) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। র্যাব-৮-এর সহযোগিতায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সোহাগ কাজী (৩০) ও রাসেল কাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৬ জুলাই) পটুয়াখালী আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাবার বহু বিবাহ, জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে পাশের পটুয়াখালী জেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের গগনখা বাজার এলাকায় রিপন কাজীর সঙ্গে তার বাবা ও চাচাতো ভাইদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ র্যাব-৮-এর সহযোগিতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি সোহাগ কাজী ও রাসেল কাজীকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, রিপন কাজী হত্যা মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে র্যাব-৮-এর সহযোগিতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন