
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় একের পর এক পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ ধ্বংস করে এভাবে পাহাড় সমান করার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ বাড়লেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি পাহাড়ের মাটি কেটে জায়গা সমতল করে সেখানে বসতঘর, দোকানপাট ও ভবন নির্মাণ করছেন। দিনের পাশাপাশি রাতের আঁধারেও চলছে পাহাড় কাটার কাজ। এতে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে ভয়াবহ ভূমিধসের আশঙ্কা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “যেভাবে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, তাতে কয়েক বছরের মধ্যে মহেশখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিলীন হয়ে যাবে। বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”
পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, পাহাড় শুধু মাটির স্তূপ নয়; এটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা দেয়াল হিসেবেও কাজ করে। নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে ভারী বৃষ্টিপাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ দেওয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ও দেখা দিতে পারে।
মন্তব্য করুন