
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় একটি রেকর্ডিয় গ্রামীণ সড়কের মাটি কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ গ্রাম্যপুলিশ পাঠিয়ে গ্রামীণ সড়কের মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আরাজি পস্তমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আরাজি পস্তমপুর গ্রামের প্রয়াত আশরাফ আলীর ছেলে সামসুজ্জোহা ও বদরুদ্দোজা সম্রাটের নেতৃত্বে তাদের লোকজন ওই গ্রামের একটি রেকর্ডিয় গ্রামীণ সড়কের মাটি কাটতে শুরু করে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে গ্রাম্যপুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, দিনদুপুরে প্রকাশ্যে সামসুজ্জোহা ও বদরুদ্দোজা সম্রাটের নেতৃত্বে তাদের লোকজন গ্রামের একটি রেকর্ডিয় গ্রামীণ সড়কের মাটি কেটে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এরআগেও তারা এই সড়কের মাটি কেটে সেখানে ধান রোপন করেছিল, এবারও একই প্রক্রিয়ায় মাটি কেটে তারা সড়ক দখল করতে মড়িয়া হয়ে উঠেছে।
অভিযুক্ত সামসুজ্জোহা বলেন, আমার ছোটভাই বদরুদ্দোজা সম্রাট অসহায় একজন ব্যক্তি, সে গ্রামীণ সড়কের পাশে মাটি কেটে সেখানে নেপিয়ান খাস রোপণ করে। সে সড়কের কোন মাটি কাটে নাই। নিজস্ব জমির মাটি কেটেছে।
মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবুল ইসলাম বলেন, রেকর্ডিয় গ্রামীণ সড়কের মাটি কাটার খবর পেয়ে গ্রাম্যপুলিশ পাঠিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও বিকেলে আমি নিজেই সরেজমিন পরিদর্শন করেছি এবং সড়কের মাটি কাটার সত্যতাও পেয়েছি। সামসুজ্জোহা ও বদরুদ্দোজা সম্রাটকে ইউনিয়ন পরিষদের আসতে বলা হয়েছে; তারা যে অংশের মাটি কেটেছে সেটির সঠিক কাগজপত্র দেখাতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, রেকর্ডিয় গ্রামীণ সড়কের মাটি কেটে নেওয়ার অধিকার কারও নেই, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন