
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদিত প্যাকেজিং পলির সংকটের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রের বরাতে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কলা, ডিম ও বনরুটি বিতরণ করা হয়ে থাকে। তবে সম্প্রতি বনরুটির প্যাকেজিং ও খাবারের মান নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) খোরশেদ আলম জানান, বিএসটিআই অনুমোদিত প্যাকেজিং পলি না পাওয়ায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্স আপাতত খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।
তিনি বলেন,“কুলাউড়া উপজেলায় ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য কলা, ডিম ও বনরুটি সরবরাহ করা হয়। ৫ থেকে ৭ শতাংশ ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থাকতে পারে। কোথাও কলা বেশি পাকা বা কম পাকা হয়, আবার বনরুটির প্যাকেটেও কিছু সমস্যা ছিল।”
তিনি আরও বলেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত বিএসটিআই অনুমোদিত পলি না থাকায় বনরুটি সরবরাহ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কতদিন এ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইসলাম ট্রেডার্সের পক্ষ থেকে শিক্ষা অফিসকে জানানো হয়েছে, অনুমোদনহীন পলিতে বনরুটি সরবরাহ করা হলে তা গণমাধ্যমে নেতিবাচকভাবে প্রকাশ পেতে পারে। তাই বিএসটিআই অনুমোদিত প্যাকেজিং পলি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পলি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এমতাবস্থায় সময়ের বিষয়ে সঠিকভাবে কিছু বলতে পারেনি।
মন্তব্য করুন