
ফিল্মিস্টাইলে অপহরণ চেষ্টার ঘটনার রেশ কাঁটাতে না কাঁটতেই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঘটে গেলো কুরআন অবমাননার মত জঘন্যতম আরেকটি ঘটনা। কুরআন অবমাননাকারী যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন মুসল্লিরা।
স্তানীয়রা জানান, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বড়খোলা গ্রামের যুবক মিলন মিয়া কিছুদিন আগে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। গেল ১৯ রমজান অর্থাৎ সোমবার (৯ মার্চ) ইফতারের পূর্বে বড়খোলা জামে মসজিদের ঈমাম সাহেবের কাছে গিয়ে তার স্ত্রীকে এনে দিতে বলে। ঈমাম সাহেব অপারগতা প্রকাশ করলে সে ঈমাম সাহেবের সাথে অশালীন আচরণ করে। এক পর্যায়ে মসজিদ থাকা পবিত্র কুরআন শরীফ এনে পায়ে নীচে রেখে ঈমাম সাহেবকে বলে- এখন কী কষ্ট লাগছে? এভাবে সে বার বার কুরআন শরীফ পায়ের নীচে রাখে এবং অত্যন্ত বিশ্রী ও আপত্তিকর ভাষায় কুরআন নিয়ে গালি দেয়।
এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ মুসল্লিরা অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।
এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় দ্রুত এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার কারণে উত্তেজিত জনতা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কমলগঞ্জ থানা উপস্থিত হয়ে মিলন মিয়ার ফাঁসি দাবি জানান।
এলাকাবাসী ভাষ্যমতে- মিলন এলাকার জন্য একটি আতঙ্ক। সে গত বছর রমজানে মাসেও এলাকার মানুষকে মসজিদে এসে তারাবির নামাজ না পড়ার জন্য হুমকি দিয়ে বলেছিলো- যে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে আসবে তাকে কেঁটে ফেলবে। তাঁর জন্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন এলাকাবাসী। সে একাধীক মামলার আসামীও। পবিত্র কুরআন অবমাননা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাঁর ফাঁসি দাবী করছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন