
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিং (মিড-ডে মিল) কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পঁচা ডিম, নিম্ন মানের কলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্যোগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ে পচা ডিম সরবরাহ করা হয়।
জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকারের উদ্যোগে স্কুল ফিডিং (মিড-ডে মিল) প্রকল্প চালু করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৭৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ হাজার ৩ শত ৩৪ জন শিক্ষার্থী এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করছে।
অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুধু পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, উপজেলার আরও কয়েকটি বিদ্যালয়েও একই ধরনের নিম্নমানের পঁচা খাবার সরবরাহ করা হয়। তবে একাধিকবার শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানালেও তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি।
মনোয়ার হোসেন নামে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের খাবারের সঙ্গে এমন পঁচা নিম্নামানের খাবার দিলে তাদের শরীর অসুস্থ হবে। যেখানে সরকার তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করণে প্রকল্পে নিয়েছে সেখানে পঁচা খাবার দেওয়া হচ্ছে।
আরেক অভিভাবক সালমা বেগম বলেন, সন্তানদের এমন পঁচা খাবার দেওয়া হচ্ছে, এসব না দেওয়া ভালো। আমাদের শিশুরা এসব খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে যাবে।
এবিষয়ে পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে আসা ডিম তাদের দেওয়া হয়েছিল। পরে তারা খাবার সময়ে দেখে অনেক ডিম পঁচা। পচা ডিম শিক্ষার্থীরা খেলে অসুস্থ হবে আর পঁচা ডিম খাওয়ার যোগ্য না এজন্য সেগুলো ফেরত দেওয়া হয়েছে। পরে বিষয়টি খাবার যারা সরবরাহ করে তাদের জানানো হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। পঁচা ডিম দেওয়া গুরুতর অপরাধ। আপনি এব্যাপারে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন