
এএফসি নারী এশিয়ান কাপে অভিষেক বাংলাদেশের। ইতিহাস গড়া ম্যাচে দেশের নারী ফুটবলাররা দুর্দান্ত লড়াই করলো শক্তিশালী চীনের সাথে। তবে শেষ পর্যন্ত বিরতির আগে দেয়া চীনের দুটি গোলেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। তবে একটি জায়গায় ঠিকই চীনের মেয়েদের আটকে দিলো আফঈদা খন্দকাররা। টুর্নামেন্টের নয়বারের চ্যাম্পিয়নরা শেষ ১০ ম্যাচে গোল করেছে ২৬ গোল, ম্যাচপ্রতি ২.৬টি। সেখানে র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের (১১২) জালে চীন (১৭) দিতে পারলো দুটি গোলই।
বিরতির আগে ২ গোল হজম বাংলাদেশের: যদিও এএফসি এশিয়ান কাপের ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানের এক টর্নেড়োতে দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। ২-০ গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে আফঈদা খাতুনের দল।ম্যাচের ১৪ মিনিটেই লিড নিতে পারতো বাংলাদেশ। বাঁ উইং ফাঁকা পেয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা যে দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটটি নিয়েছিলেন, তা চীনের গোলকিপার চেন চেন ঝাঁপিয়ে না ঠেকালে গল্পের শুরুটা অন্যরকম হতে পারতো। ম্যাচের ১৮ মিনিটে নিশ্চিত গোললাইন সেভ করেন ডিফেন্ডার শিউলি আজিম। গোলকিপার মিলি পরাস্ত হলেও বল জালে জড়ানোর ঠিক আগ মুহূর্তে ডাইভ দিয়ে দলকে বাঁচান শিউলি। ২৪ মিনিটে চীনের অভিজ্ঞ তারকা ওয়াং সুয়াং জালে বল পাঠালেও স্বস্তি দেয় ভিএআর। অফসাইডের কারণে রেফারি গোলটি বাতিল করেন। ফলে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত স্কোরলাইন ০-০ ধরে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
বিরতির ঠিক আগে খেই হারায় বাংলাদেশের রক্ষণ। ৪৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে এক ভাসানো শটে গোল করে চীনকে এগিয়ে দেন ওয়াং সুয়াং। এর রেশ কাটতে না কাটতেই যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে (৪৬ মিনিট) দ্বিতীয় গোল হজম করে বাংলাদেশ। ঝ্যাং রুইয়ের নিচু শট ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুর পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে ম্যাচ থেকে কিছুটা ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন