
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৫৫তম ব্যাচের (২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ) প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রটোকল ও আসন বিন্যাস নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহ-সভাপতির (ভিপি) নির্ধারিত আসনে ছাত্রদলের জাবি শাখার আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরকে বসানো হলেও, সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক সহ শীর্ষ চার ছাত্রনেতার স্থান হয়নি।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকাল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ছাত্রদলের নেতকর্মীদের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রবেশের পর সকলেই তার নিজ আসন গ্রহণ করেন। তবে ছাত্র সংগঠনগুলোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না রাখায় ছাত্রদল প্রথমে জাকসুর নেতৃবৃন্দের চেয়ারে বসেন। পরবর্তীতে তাদের উপস্থিতিতে এক সময় চেয়ার ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাবর জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর আসনে বসেন। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক রাধে শ্যাম বিশ্বাস রাজেশ এবং শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এক পর্যায়ে আসন না পেয়ে বের হয়ে যান।
শাখা ছাত্রদলের এক যুগ্ম আহবায়ক বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে আসন নিয়ে বিশৃঙ্খলা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে এ ধরনের ঘটনা তৈরি হয়েছে। আমরা ছাত্রদলের জন্য কোন নির্দিষ্ট আসন পায়নি। তাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা সহ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিবকে বেরিয়ে যেতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ ব্যাপারে আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া দরকার ছিল।
শাখা ছাত্রদল নেতা নবীনুর রহমান নবীন বলেন, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে বাংলাদেশের বৃহৎ সংগঠন হিসেবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরনের অব্যবস্থাপনার আমরা নিন্দা জানাই।
শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক বলেন, আমরা আসলে গরমের জন্য ওখান থেকে বের হয়ে এসেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে জহির রায়হান অডিটোরিয়াম সংস্কার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক এবং প্রবেশিকা অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা শুধুমাত্র প্রতিনিধিদের জন্য বসার ব্যবস্থা করেছি।
মন্তব্য করুন