
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গভীর রাতে ঘরের মেঝে খুঁড়ে (সিঁধ কেটে) ভেতরে ঢুকে এক কলেজছাত্রীকে মুখ চেপে ও চেতনানাশক খাইয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে ভুক্তভোগী তরুণীর মা তার ছোট ভাইকে নিয়ে নদীতে চিংড়ি রেণু ধরতে গিয়েছিলেন। টিনশেড ঘরে ওই তরুণী একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দুজন মুখোশধারী যুবক সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে ধারালো বঁটি উঁচিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেয় এবং চেতনানাশক দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
একপর্যায়ে তরুণী সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে ধর্ষকেরা পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। স্বজনরা জানান, ঘরের বেড়ার নিচে মাটি খোঁড়া ছিল এবং তরুণীর শরীর থেকে চেতনানাশকের তীব্র গন্ধ আসছিল।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেছেন। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন