
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্বাদু ও সুগন্ধি মিষ্টি পানের জন্যও দেশব্যাপী পরিচিত। বহু বছর ধরে এখানকার কৃষকেরা ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে পান চাষ করে আসছেন। বিশেষ করে মহেশখালীর মিষ্টি পান তার কোমলতা, সুগন্ধ ও স্বাদের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরের অধিকাংশ সময়ই মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় পান চাষ চলে। প্রতিদিন ভোরে ক্ষেত থেকে পান সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়। ঢাকাসহ বড় বড় শহরের বাজারগুলোতে মহেশখালীর পানের আলাদা চাহিদা রয়েছে।
পান চাষিদের দাবি, অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় মহেশখালীর মাটি ও আবহাওয়া পানের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানকার পানে বিশেষ মিষ্টি স্বাদ তৈরি হয়। অনেক পরিবার এই পান চাষের ওপর নির্ভর করেই জীবিকা নির্বাহ করছে।

তবে কৃষকেরা জানান— উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, পরিবহন সমস্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তারা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। তারপরও ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন স্থানীয় চাষিরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সঠিক পরিচর্যা ও সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীর মিষ্টি পান দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব।
ঐতিহ্য, স্বাদ ও সুগন্ধে ভরপুর মহেশখালীর মিষ্টি পান এখন শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়, এটি হয়ে উঠেছে এলাকার পরিচয় ও গর্বের প্রতীক।
মন্তব্য করুন