
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও সাত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বরগুনা জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দিন সাবু (৫০), পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াছিন হাওলাদার ওরফে ইয়াছিন কোম্পানি (৫৭), ঢাকা মহানগর দক্ষিণ রমনা থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দিন রাজিব (৩৮), ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ফয়সাল খন্দকার (১৯), আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ও একাধিক ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারী মোঃ শামীম শেখ (৩২), টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু তালেব মুকুল (৪৬) ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফায়েল (৪৫)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ডিবি ওয়ারী বিভাগের একটি টিম তুরাগ থানার তেতুলতলা নয়ানগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাহাবুদ্দিন সাবুকে গ্ৰেফতার করে। একই বিভাগের অন্য এক অভিযানে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে ইয়াছিন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে ডিবি উত্তরা বিভাগের একটি টিম হাতিরঝিল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বেলাল উদ্দিন রাজিবকে গ্রেফতার করে। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় ডিবি লালবাগ বিভাগের লালবাগ জোনাল টিম যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফয়সাল খন্দকারকে গ্রেফতার করে। সোমবার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪টায় ডিবি লালবাগ বিভাগের লালবাগ জোনাল টিম মিরপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ শামীম শেখকে গ্রেফতার করে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮টায় মোঃ আবু তালেব মুকুলকে ডিবি গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম মিরপুর ১০ এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে। একই তারিখ ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বংশাল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবি লালবাগ বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ীচুরি প্রতিরোধ টিম তোফাজ্জল হোসেনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত সাতজনসহ ঝটিকা মিছিলের আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





