
গাজায় অবরোধে ক্ষুধা ও হামলায় মৃত্যু, শিশু-বৃদ্ধ কেউ রেহাই পাচ্ছে না
ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধ ও চলমান হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। খাবার, পানি ও ওষুধ না পেয়ে অন্তত ৫৭ জন মানুষ—যাদের মধ্যে রয়েছে শিশুও বৃদ্ধ—ক্ষুধায় প্রাণ হারিয়েছেন।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সীমান্তে শত শত ত্রাণবাহী ট্রাক আটকে আছে, অথচ অভ্যন্তরে মানুষ কান্না করছে শুধু এক মুঠো খাবারের জন্য।
শনিবার (৩ মে) ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন হামলায় আরও ৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে বলে স্থানীয় চিকিৎসা ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানিয়েছে।
এই সহিংসতা ও অবরোধের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় অবিলম্বে মানবিক সহায়তা প্রবেশের দাবি জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত সাত মাসে ইসরায়েলি হামলায় মারা গেছেন অন্তত ৫২,৪৯৫ জন এবং আহত হয়েছেন ১,১৮,৩৬৬ জনেরও বেশি। তবে গাজার মিডিয়া অফিস আশঙ্কা করছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষকে হিসেব করলে মৃতের সংখ্যা ৬১,৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,১৩৯ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় কঠোর সামরিক অভিযান ও অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে।
এই সংকট নিয়ে আপনি কি চাচ্ছেন—একটি সংবেদনশীল প্রতিবেদন, কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার বিশ্লেষণ, না কি একটি সামাজিকমাধ্যম পোস্টের খসড়া?





