বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আসাদুজ্জাম।
সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে জাল টাকা প্রবেশ করার খবর প্রায়শই সংবাদমাধ্যমে আসে এবং এটি একটি উদ্বেগের বিষয়। মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া এবং উত্তর দিনাজপুর জেলার সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলো থেকে বাংলাদেশে জাল নোট প্রবেশ করে।
প্রতিদিন গড়ে কয়েক কোটি টাকার জাল নোট ব্যাগ, ট্রাক বা যাত্রীবাহী পরিবহণের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করে। স্থানীয় দালাল ও পাচারকারীরা, এমনকি নারী ও শিশুদেরও এই কাজে ব্যবহার করা হয়। মাদক ও প্রসাধনী চোরাচালানের রুটগুলোও জাল টাকা পাচারে ব্যবহৃত হয়।
অভিযোগ রয়েছে যে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতকে অস্থিতিশীল করতে এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই জাল নোটগুলো দেশে প্রবেশ করানো হয়।
এই ধরনের জাল নোটের বিস্তার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণকে নগদ অর্থ লেনদেনে আরও সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে। জাল নোট শনাক্ত করার জন্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো, যেমন ওয়াটারমার্ক এবং সুরক্ষা থ্রেড ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ:
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই অপতৎপরতা প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে। প্রায়শই সীমান্ত এলাকা থেকে জাল নোটসহ পাচারকারীদের আটক করার খবরও পাওয়া যায়।