রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রহীন অবস্থায় উল্লেখ করে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামান মনে করেন, তাঁরা বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, লাওসসহ বিভিন্ন দেশে আছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে হবে উল্লেখ করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, যদি এই মানবিক সহায়তা (মানবিক করিডর) পাঠানোর অসিলায় রোহিঙ্গাদের সেখানে পাঠানো যায়, সেটি বিরাট সার্থকতা।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এক থেকে দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে বলে উল্লেখ করেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক। তিনি বলেন, ‘নতুন করে রোহিঙ্গাদের ঢল এই সরকার থামাতে পারে নাই। সে ক্ষেত্রে মানবিক করিডর দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ রয়েছে। এ রকম একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে এই সরকারের জড়ানো উচিত হয়নি।’
বাংলাদেশ কি ততটা মানবিক হতে পারে, যতটা তার সক্ষমতা নেই—এমন প্রশ্ন রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর। গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, দেশকে যেখানে পরাশক্তির হাত থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেখানে এমন মানবিক করিডর দেওয়ার কারণ কী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক নিলোফার চৌধুরী, বাসদ নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, ইউপিডিএফের সংগঠক মাইকেল চাকমা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম এ আজিজ প্রমুখ।