বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আসাদুজ্জামান।

১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং তার আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট তিন আসামির বিরুদ্ধে করা এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

ট্রাইব্যুনাল চত্বর ও এর আশেপাশে পুলিশ, র‍্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়।

সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তা কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন।

সকালে ট্রাইব্যুনালের আশপাশের এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল দল দেখা যায়।

ট্রাইব্যুনালের প্রধান ফটক এবং সুপ্রিম কোর্ট এলাকার বিভিন্ন প্রবেশপথে আইনজীবীদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করা হয় এবং জনসাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ (নিষিদ্ধ ঘোষিত) ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে এই কঠোর নিরাপত্তার কারণ ছিল।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণের সময় আসামিদের মধ্যে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে, অক্টোবর মাসে ১৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসার সময়ও একই ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।