নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতীকের তালিকায় যুক্ত হয়েছে ‘শাপলা কলি’। ইসি সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়েছে।

এতে বলা হয়, ১৯৭২ এর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৪-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন, ‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮’-এর নিম্নরূপ অধিকতর সংশোধন করিল।

এতে আরো বলা হয়, ‘উপরিউক্ত বিধিমালার বিধি ৯ এর উপ-বিধি (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-বিধি (১) প্রতিস্থাপিত হবে। এই বিধির অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অনুচ্ছেদ ২০ এর দফার অধীন স্থগিতকৃত প্রতীক ব্যতীত নিম্নবর্ণিত প্রতীকগুলো হইতে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে যেকোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে।’

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ‘শাপলা’ প্রতীক ছাড়া নিবন্ধন নেবে না বলে জানিয়ে আসছিল। এ নিয়ে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ইসির ওপর ক্ষোভও প্রকাশ করছিল।

অবশেষে ইসি আগের তালিকায় সংশোধন এনে নতুন তালিকা প্রকাশ করল। এতে ১১৯টি প্রতীক সংরক্ষণ করা হয়েছে। যেখানে ‘শাপলা কলি’ নামে নতুন প্রতীক যোগ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় আগে শাপলা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতীকই ছিল না।

১১৯টি প্রতীকের মধ্যে ৫৩টি নিবন্ধিত দলের জন্য ৫৩টি প্রতীক সংরক্ষণ করা হয়েছে। আর বাকিগুলোর মধ্যে কিছু পাবে এনসিপিসহ নতুন নিবন্ধন পাওয়া দল। বাকিগুলো সংরক্ষিত থাকবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য।

সম্প্রতি ইসি থেকে এনসিপিকে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে দলটিকে ৫০টি প্রতীক থেকে নিজেদের পছন্দের মার্কা জানাতে বলা হয়। যেখানে বেগুন, বালতিসহ নানা প্রতীক ছিল। দলটি সেই তালিকা বয়কট করে ঘোষণা দেয়, শাপলা এবং শাপলাই হবে এনসিপির প্রতীক। তারা শাপলা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে নিবন্ধন নেবে না।

আইন অনুযায়ী, নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল নিজ প্রতীকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। আর নিবন্ধনের সময় প্রতীকের তফসিল থেকে দলগুলোকে মার্কা বরাদ্দ দেওয়া হয়।