মার্কিন বাহিনী ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে গত কিছুদিনের সংঘাত নতুন পর্বে রূপ নিয়েছে।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির বিরুদ্ধে তেল আবিবের অভিযানে ওয়াশিংটন সঙ্গী হওয়ায় সামনের দিনগুলোতে পুরো অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানে ইসরায়েলের হামলার পর এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে উত্তেজনার মধ্যে এই হামলায় যোগ দিল যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই সংঘাতে জড়াল।

নাতাঞ্জ, ইস্ফাহান ও ফোরদোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা নিয়ে তাই বিশ্বনেতাদের বেশিরভাগের মুখেই উদ্বেগ ও নিন্দার সুর শোনা গেছে। তারা উত্তেজনা প্রশমনে সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান খোঁজার কথা বলছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এর আগে শনিবার রাতে, মার্কিন বাহিনী ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানে ‘সফল’ হামলা চালিয়েছে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান স্থাপনা ফোরদো ‘আর নেই’।

ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প ‘অসাধারণ মার্কিন যোদ্ধাদের’ অভিনন্দন জানিয়েছেন। লিখেছেন, “সব বিমান নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে যাচ্ছে।”

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান ও ফোরদো—এই তিনটি মূল পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। ফোরদোর ওপর ছয়টি ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা ফেলা হয়েছে। এছাড়া অন্য দুটি স্থাপনায় ৩০টি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান ইরানে এ হামলায় অংশ নেয়।